1. [email protected] : Annayer Chitro : Annayer Chitro
  2. [email protected] : struggle : Jaffrey Alam
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ->>
বরগুনায় ১০০ পিচ ইয়াবা সহ ১১ মামলার আসামী রিয়াজ গ্রেফতার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ দেখার যেনো কেউ নেই, রাস্তা নয় যেন মরণ ফাঁদ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বাঘাসুরা ইউনিয়নে মুন্সীগঞ্জে মিরকাদিম লঞ্চঘাটে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া: আটক ১ ওসির অভিযানের আগেই আগাম খবর পায় মাদক কারবারিরা উপচারের সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত ডিসি’র সাথে সাংবাদিকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আওয়ামীলীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নাই : এনামুল হক শামীম সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মিরপুর সম্মিলিত সাংবাদিক জোটের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচী

ওসির অভিযানের আগেই আগাম খবর পায় মাদক কারবারিরা

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৮ বার পঠিত

এস এম রাসেলঃ-

রাজধানী মিরপুর বিভাগের শাহ্আলী থানা এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ শুধু বিট পুলিশ এর উঠান বৈঠক আর আলচনার মধ্যেই শিমাবদ্ধ রয়ে গেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

বিভিন্ন সূত্র জানা যায় , শাহ্আলী থানা পুলিশ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পূর্বের যে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছিল আগের মত সেই অভিযান এখন আর তেমন একটা চোখে পরেনা এলাকা বাসির। এলাকাবাসি বলছে, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারিদের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধে নেমে ছিলেন শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ,বি,এম আসাদুজ্জামান। সেই সাঁড়াশি অভিযানের কারনে টনক নড়েছিল শাহ্আলী থানা কেন্দ্রিক বড় মাপের মাদক কারবারি, চিহৃিত চাঁদাবাজ, ও সন্ত্রাসীদের। তবে এখন সেরকম অভিযান না থাকার করনে কিছু মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে সেলসম্যানদের মাধ্যমে তাদের মাদক ব্যবসা আবার চালিয়ে যাচ্ছে হরদম। তবে ওসি শুদ্ধি অভিযানের করনে অনেক মাদক কারবারি ও দাগী সন্ত্রাসীরা কিছুদিন গাঁঢাকা দিলেও এখন তারা নিজ নিজ স্থানে ফিরে এসে কতিপয় কিছু অসৎ পুলিশ সদস্যের সঙ্গে মাদক কারবারিরা সু’সম্পর্ক রেখে আবার এই ব্যবসায়ী চালিয়ে যাচ্ছে আগের মত করে। এর ফলে শাহআলী থানা কেন্দ্রিক অপরাধ নির্মূল ও মাদক নিয়ন্ত্রণের শতচেষ্টা করেও এর শতভাগ সুফল আসছে না বলে মনে করছেন স্থনীয় বাসিন্দারা। এলাকা স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পুলিশের ঢিলেঢালা অভিযানের ফলে করোনা কালে শাহআলী থানা এলাকার মাদকের আখড়া আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, “থানার গুটি কয়েক অসাধু পুলিশ সদস্য শাহ্আলী থানা এলাকা কেন্দ্রিক এই মাদক কারবার টিকিয়ে রাখতে মূল ভূমিকা পালন করে আসছে। নিয়মিত তারা মাদক কারবারিদের কাছ থেকে লাইনম্যানের মাধ্যমে মোটা অংকের মাসোয়ারা নিয়ে থাকে।

 

 

 

♦মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ শুধু বিট পুলিশ এর উঠান বৈঠক আর আলচনার মধ্যেই শিমাবদ্ধ !
♦পুলিশের অভিযান এখন আর তেমন একটা চোখে পরেনা এলাকা বাসির।
♦কি হয়না বস্তিঘর গুলতে রাত ঘনিয়ে এলেই বসে জুয়া ও মাদকের আসর !
♦ওসির অভিযানের আগেই স্থানীয় মাদক কারবারিরা পায় আগাম খবর।
♦লাইনম্যানের মাধ্যমে মোটা অংকের মাসোয়ারা পায় মাদক কারবারিদের কাছ থেকে।

 

 

 

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ওসির শুদ্ধি অভিযানে যাওয়ার আগেই স্থানীয় মাদক কারবারিরা আগাম খবর পেয়ে যায়। তাই মাদকের সাথে জড়িত ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়ে আগে থেকেই গাঁঢাকা দেয়, আর অসৎ পুলিশ সদস্যরা তাদের আগাম খবর দিয়ে আর্থিক লাভবান হয়। এর ফলে ওসির অভিযান অনেকটাই ব্যর্থ হয়ে পরে। কতিপয় অসৎ পুলিশ সদস্যর আর্থিক লোভের কারণেই শাহআলী কেন্দ্রিক মাদকের স্পট গুলো এখনো অনেকটা সচল রয়েছে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এ সকল তথ্য জানা গেছে।অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, হযরত শাহ আলী (রহঃ) এর মাজার ঘিরে গড়ে উঠেছে বিশাল মাদকের নেটওয়ার্ক আর এই মাদকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বেশির ভাগই নারী সদস্য এদের মধ্যে রয়েছে, পিংকি (২২) শাহীনুর (২৬) মালা (২৪) আকাশী (৩০) রাজিয়া (২৮) লাবনী (২৩) আয়শা (২৭) সাথী (২৩) আর ছেলেদের মধ্যে রয়েছে কালু (৩০) চান (২৮) শান্ত (২২) আলামিন (২৬) এছড়াও আরও ১০/১৫ জন রয়েছে এরা গাজাঁ, ইয়াবা, হেরোইন, ফেন্সিডিল বিক্রয় করছে বহুদিন যাবত। এদের কাছ থেকে পুলিশের লাইনম্যান হয়ে টাকা তুলছে সজীব (৩০), আরিফ (২৮), পানের দোকানদার সাগর (৩২) ডিমের দোকানদার সোহাগ (৩৫)।

গুদারাঘাট এইচ ব্লক (১৫) নম্বর রোডের মাদক কারবারি আল ইসলাম গ্রেফতার হলেও বাকিরা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাহিরে। কিংশুক মাঠ ও মিনি গার্মেন্টসের গলি পর্যন্ত মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন মনিরের স্ত্রী দুলি, শ্যালক আজগর আলী, লালন, আলন, নুরু ও আকবর সহ ৫/৬ জন সহযোগীদের দিয়ে দিনরাত বিক্রি করছে ইয়াবা, হিরোইন ও গাঁজা। এইচ ব্লকের ৪ নম্বর রোডে মোটা আনোয়ার, নাসির, সুমন এবং ইসমাইলের পৃষ্ঠপোষকতায় দিনছুরের ছেলে আলামিন (২৭) ইয়াবা বিক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।কাজীপুরী ৯ তলার শ্বাশুড়ির বাসায় থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এছাড়াও রয়েছে মোটা রহমান, শিল্পী ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর এরা দু’জনেই মাদক ব্যবসা করছে।

হাজীরোডে মাদক ব্যবসা করছে, মোতাহার (৩২) কালু (২৭) আলামিন (৩২), আলাউদ্দিন (৪৩), জাহাঙ্গীর (৪০) সুমন (৩১) রয়েল (২৮) উজ্জ্বল (৩৫), আমির (২৬), নজরুল (৪২), সুফি (৩৪), লম্বু কাল্লু (২৫), লিটোন (৩৫) নাসিমা (৩০) আবু-সাইদ (৩৭) সমিতি আলমঙ্গীর ও তার সহযোগী বাবু, এই সকল মাদক কারবারিদের গডফাদার হচ্ছে মাদক সম্রাজ্ঞী ফতের প্রাক্তন স্বামী দুলাল। তিনি সোনারগাঁও বসে তার নিয়োজিত লোকের মাধ্যমে হাজী রোডের মাদকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে নির্ভর যোগ্য সূত্রে জানায়। আলম হাজীর বস্তিতে মাদক বিক্রি করছে বাদল ও তার সহযোগী লিমা (২৭) আখী (২৯) সহ আরও নাম না যানা ৪/৫ জন। এর ফলে শাহআলী থানা এলাকা এখন নানা অপরাধ আর অনিয়মের অভয় অরন্য হিসেবে পরিনত হয়েছে। দিন দুপুরে বাড়ছে চুরি ছিনতায়ের ঘটনা। মাদকে টাকা জোগান দিতে নানা অপকর্ম লিপ্ত হচ্ছে অনেকে। চিড়িয়াখানা থেকে সনি হল পর্যন্ত রাতের বেলায় সারিবদ্ধ ভাবে রাস্তার দু-পাশে গাড়ী থাকার কারনে নিরব স্থান পেয়ে বেড়েছে ছিনতাই ও অনেক সময় ঘটছে ধর্ষণের মত ঘটনাও। এছাড়া বিভিন্ন অলিগলিতে হয় মাদক কারবার, বস্তিঘর গুলতে রাত ঘনিয়ে এলেই বসে জুয়া ও মাদকের আসর কি হয় না এখানে ! তবে ওসি যোগদানের পর সাঁড়াশি অভিযানের কারনে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ কারনে অনেকটাই পুলিশের উপর আস্থা আসতে শুরু করেছিল এখন সেই অভিযান অনেকটাই ঢিলেঢালা হওয়ার কারনে আবার পুলিশের প্রতি সাধরণ মানুষের সেই আস্থাটা কমতে শুরু করেছে বলে মনে করেন এলাকার সচেতন জনগন। আর এই মাদক সিন্ডিকেটে সাথে যুক্ত পুলিশের অসাধু এসব সদস্যদের পাশাপাশি চিহৃিত মাদক কারবারিদের খুজেঁ বেড় করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া গেলে শাহ্আলী থানা এলাকা কেন্দ্রিক মাদক কারবার আবার আগের মত অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্নিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ অন্যায়ের চিত্র
Theme Customized By Theme Park BD